Speed up your Website

আসসালামু আলাইকুম, খলিফা নেটওয়ার্কে আপনাকে স্বাগতম!
কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন।

 

আজ আমরা আলাপ করবো কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড বাড়ানো যায় তা সম্পর্কে।

একটি ওয়েবসাইট বানালেই তা রেঙ্কিং পাবে বা সবাই জানবে / চিনবে এমন নয়। মূলত একটি ওয়েবসাইটের স্পীড-ই Google থেকে রেঙ্কিং পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে গুগল ইন্টারনেট ব্যাবহার কারীদের কথা বিবেচনা করে, ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এনালাইজ করে ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড তাদের এলগরিদম প্রক্রিয়ায় অন্তরভুক্ত করে।

একটি ওয়েবসাইট দেখতে সুন্দর হওয়াটা যতটা জরুরি তার থেকে লোডিং স্পীড থাকা অত্যান্ত জরুরি সেই ওয়েবসাইটের visitors এর জন্য। মনে রাখবেন আপানার ওয়েবসাইট যত তাড়াতাড়ি লোড হবে, ভিজিটর তত তাড়াতাড়ি আপনার সাইটের কন্টেন্ট পড়তে পারবে এবং আপনার সাইটে অবস্থান করবে। তাহলেই সেই ইউজার বারবার আপনার সাইটে ফিরে আসবে তার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন জানার জন্য বা আপনার দেয়া সেবা নেওয়ার জন্য। আপনার সাইটের লোডিং স্পীড ভালো থাকলে এবং আপনার সাইটে প্রয়োজনীয় পোস্ট থাকলে এক ব্যবহারকারী আরেকজনকে রেফার করবে। গুগলের দীর্ঘদিনের এনালাইসিস প্রমান করেছে যে, কম স্পীডের ওয়েবসাইটে ইউজাররা অপেক্ষা না করে অন্য ওয়েবসাইটে চলে যায়, অপরদিকে যেই ওয়েবসাইটের স্পীড বেশি এবং অল্প সময়ে লোড হয় সেসব ওয়েবসাইটে ইউজার বেশিক্ষন অবস্থান করে। তাই বর্তমানে এটি On Page SEO -এর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

যখন একটি ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড কম থাকে তখন কিন্তু ঐ ওয়েবসাইটের bounce রেট কমে যায়, যা Google -এর একটি অন্যতম রাঙ্কিং ফ্যাক্টর। কিন্তু যখন একটি ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড বেশি থাকে মানে ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং হতে ১-২ সেকেন্ড সময় লাগে সেসব ওয়েবসাইটের রাঙ্কিং দ্রুত উন্নতি লাভ করে এবং প্রচুর visitor আনতে সহায়তা করে। তবে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পীড যেন ৫/৬ সেকেন্ডের বেশি না হয়।

একটি ওয়েবসাইটের মালিক হলে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়টি খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে এবং এই বিষয়টি এড়িয়ে গেলে হবেনা। কারন একটি ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারন ভিজিটর বেশি পেতে হলে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের ওয়েব পেজ স্পীড বাড়াতে হবে। বর্তমানে সারা বিশ্বে স্মার্টফোন এর ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। সুতরাং মোবাইল থেকে বেশি বেশি visitor পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড বাড়াতে হবে এবং অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটটি রেস্পনসিভ করে তৈরী করতে হবে।

 

এখন কি ভাবছেন আপনি আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড কিভাবে বাড়াবেন?
চলুন দেখে নেই কিভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পীড কিভাবে বাড়াবেনঃ

১. প্রথমেই আপনার ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পীড বাড়ানোর জন্য আপনার ওয়েবসাইটের ইমেজ সাইজ এর দিকে নজর দিতে হবে। কারন ইমেজ সাইজ যদি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয় তাহলে আপনিই ভেবে বলুন সেই ইমেজ লোড হতে সময় লাগবে কি না, আর যদি ইমেজ লোড হতে সময় নেয় তাহলে অবশ্যই বুজতে পারছেন আপনার ওয়েবসাইটটি লোড হতেও বেশী সময় লাগবে। গুগল প্রতিটি ওয়েবসাইটের ইমেজ সাইজ 20kb এর নিচে রাখতে advice করে। এতে আপনার ওয়েবসাইট দ্রুত লোডিং হবে।

২. কখনোই একটি ওয়েবসাইটের হোম পেজে বেশি পরিমান কন্টেন্ট রাখা ঠিক না। কারন যখন আপনার ওয়েবসাইটের হোম পেজে বেশী পরিমান কন্টেন্ট থাকবে তখন সাইটটি লোড হতে অবশ্যই বেশি সময় নিবে।

৩. আপনার ওয়েবসাইটটি যদি HTML / স্ট্যাটিক -এর হয়ে থাকে তাহলে অবসসই সব css file গুলো একটি আলাদা ফোল্ডার করে নিয়ে head এর সাথে যুক্ত করে দিন, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পীড বাড়বে। ইন-লাইন এবং ইন্টারনাল-লাইন সবসময় পরিহার করার চেষ্টা করুন।

৪. আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটি ভালোমানের CDN ব্যবহার করুন। যখন একটি ওয়েবসাইট
CDN (কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক) এর সাথে যুক্ত করা হয় তখন মূল সার্ভারে লোড কম হয় এবং এটি ওয়েব আপনার ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড বাড়াতে সাহায্য করবে।

৫. একটি ওয়েবসাইটের পেজে কখনোই 301 permanent redirect ব্যবহার করবেন না, কারন এটি ব্যবহার করলে browser বেশিসময় নেয় এবং পেজ লোডিং হতে বেশি সময় নেয়।

৬. JS ফাইল-এর ক্ষেত্রে এক্সটারনাল ফাইল ব্যাবহার না করে script -এর কোড গুলো আপনার সাইটের head tag -এ ব্যাবহার করুন।

৭. আপনার ওয়েবসাইট যদি WordPress বা অন্য কোন CMS দিয়ে তৈরী করে থাকেন তাহলে অবশ্যই ভালো মানের ওয়েব কেচ প্লাগিন ব্যবহার করুন।

৮. আপনি যদি WordPress ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের পেজ লোডিং স্পীড বাড়ানোর জন্য WP Super Cache Plugin ব্যাবহার করতে পারেন অথবা W3 Total Cache ব্যবহার করতে পারেন, তাহলেই দেখবেন আপনার সাইটের লোডিং স্পীড অনেক বেড়ে যাবে।

 

 

আপনি যদি আপাদের ওয়েবসাইটে নতুন হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটের লিংক সেভ করে রাখুন, আমাদের ফেইসবুক পেজ + ইউটিউব চ্যানেল-এ সাবস্ক্রাইব করুন।
এবং অবশ্যই খলিফা নেটওয়ার্কের পাশে থাকবেন।